দেশ 

বিহারে বিধান পরিষদ নির্বাচন ঘিরে কংগ্রেস আরজেডির দ্বন্দ্ব!

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : বিহারে বিধান পরিষদের ৮টি আসনের নির্বাচন ঘিরে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র দুই শরিক আরজেডি এবং কংগ্রেসের মধ্যে সংঘাত প্রকাশ্যে চলে এল। লালুপ্রসাদ, তেজস্বী যাদবের দলের একতরফা প্রার্থী ঘোষণার প্রতিবাদ জানিয়ে এ বার পাল্টা প্রার্থী ঘোষণা করল রাহুল গাঁধী, মল্লিকার্জুন খড়্গের দল। এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বৃহস্পতিবার ৫ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

আগামী ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বিহার বিধান পরিষদের ৪টি স্নাতক এবং ৪টি শিক্ষক নির্বাচনী এলাকার জন্য ভোটগ্রহণ হবে। গত মাসে আরজেডি একতরফা ভাবে ৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। তার জবাবে কংগ্রেস বৃহস্পতিবার ৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। এর ফলে অন্তত ৩টি আসনে ‘ইন্ডিয়া’র দুই শরিক দলের মুখোমুখি লড়াই হতে চলেছে। কংগ্রেস দ্বরভাঙা শিক্ষক আসন থেকে মদনমোহন ঝা এবং পটনা শিক্ষক আসন থেকে সঞ্জয় যাদবকে প্রার্থী করেছে। যাঁদের নিয়ে আরজেডির আপত্তি নেই বলে সূত্রের খবর। কিন্তু একটিও স্নাতক আসন কংগ্রেসকে ছাড়তে নারাজ তেজস্বীরা।

অন্য দিকে, বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে ৪টি আসনে। বাকি চারটি ছাড়া হয়েছে নীতীশের দল জেডিইউ-কে। যা নিয়ে লোক জনশক্তি পার্টির নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান ক্ষুব্ধ বলে ওই সূত্র জানাচ্ছে। এর আগে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট এবং ২০২৫-এর বিধানসভা নির্বাচনেও আসন রফা নিয়ে আরজেডি-কংগ্রেসের মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছিল মগধভূমে। প্রসঙ্গত, বিধানসভার মতোই বিধান পরিষদেও ‘নির্বাচিত’ হতে হয়। কিন্তু সেখানে সাধারণ নাগরিকরা ভোট দেন না। বিধান পরিষদ নির্বাচনে ভোটাধিকার রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রভুক্ত পেশার মানুষ, বিধায়ক এবং পঞ্চায়েত-পুরসভার মতো স্থানীয় প্রশাসনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গেও একটা সময় বিধান পরিষদ ছিল।

যুক্তফ্রন্টের সরকার ক্ষমতায় এসে ১৯৬৯ সালে তার অবলুপ্তি ঘটায়। সারা ভারতে এখনও ৬টি রাজ্যে বিধান পরিষদ আছে। সেগুলি হল বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা এবং কর্নাটক।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ